শবে বরাতের কিছু আমল।

★★★পবিত্র শবে বরাতের কিছু আমল।

*রাসূল (দঃ) এরশাদ মোবারক করেন, যে উম্মত শবে বরাতে বার (১২) রাকাত নামায পড়বে ,প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর দশবার (১০) সূরা ইখলাস পড়লে , তাঁর জিবনের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং তাঁর জিবনে বরকত দেয়া হয়।

*অন্য বর্ণনায় রয়েছে-
রাসূল (দঃ) এরশাদ মোবারক করেন, যে উম্মত শবে বরাতে একশত(১০০) রাকাত নামাজ পড়বে , প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর পাঁচবার (৫) বা দশবার (১০) সূরা ইখলাস পাঠ করবে ,
আল্লাহ তায়ালা তার কাছে পাঁচশত (৫০০) ফেরেস্তা নাযিল করেন, প্রত্যেকের হাতে নূরের খাতা থাকে এবং তাঁরা ঐ খাতাতে কিয়ামত আসার পূর্ব পর্যন্ত তাঁর সাওয়াব লিখতে থাকেন।

*অন্য বর্ণনায় পাওয়া যায়-

*যে উম্মত শবে বরাতে একশত (১০০) রাকাত নামায পড়বে, প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস দশবার পড়বে, এই নামাজ কে "সালাতুল খাইর" বলা হয়, রাব্বুল আলামীন তাঁর দিকে সত্তর বার দেখবেন, প্রত্যেক নজরে তার সমস্যা সমাধান করে দিবেন। একেবারে ছোট সমস্যা হল তার গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। (গুনিয়াতুত তালিবীন)।

*অন্য বর্ণনায় রয়েছে-

*রাসূল (দঃ) এরশাদ মোবারক করেন, আমি ঐ সত্বার শপথ করে বলছি, যিনি আমাকে নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন,  যে উম্মত শবে বরাতে আমার উপর দরূদ শরীফ পড়বে,  তাকে নবী, রাসূল ,ফেরেস্তা এবং সকল মানুষের সাওয়াব দেওয়া হবে।
(মিশকাতুল আনোয়ার)।

#শবে_বরাতের_দোয়া

*হানাফী মাযহাবের সিফাহ সালার হযরত মুল্লা আলী ক্বারী (রহঃ) তাঁর মিকাত শরহে মিশকাতে শবে বরাতে কিভাবে দোয়া করতে হবে তা বর্ণনা দিয়েছেন।

*দোয়ার অনুবাদ দিলাম-
*হে আল্লাহ তুমি যদি আমার নাম বদকারের দফতরে লিখে থাক তাহলে মুছে আমার নাম নেককারের দফতরে লিখে দাও। আর আমার নাম নেককারের দফতরে লিখে থাকলে তাহলে অটল রাখ। কেননা তুমি তুমার কিতাবে বলেছ, আল্লাহ তায়ালা যা চায় মুছে দেয় , যা চায় অটল রাখে, তাঁর কাছে সকল কিতাবের ইলম আছে।

*পরিশেষে বলি, আমাদের দেশে যারা শবেবরাত নিয়ে বিভিন্ন কথা বলে, আমরা বুঝে নিতে পারি, এতগুলো বলার পিছনে একটাই কারণ তা হল গবেষণার অভাব। যারা কুরআন-হাদিস ও বিভিন্ন কিতাবাদি গবেষনা করে, তাদের মুখে এরকম কথা মানাই না,
আল্লাহ ভাইদের হিদায়াত দান করুক, আমিন। বেহুর মতি সৈয়্যদিল মুরসালিন।
(তথ্য সূত্রঃ রোজা,যাকাত ও শবে বরাতের গুরুত্ব-৫৪-৫৫পৃঃ/লিখক- শ্রদ্বেয় শিক্ষক: হযরতুল আল্লামা আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজবী-আরবী প্রভাষক-কাটিরহাট মুফিদুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসা)।

Comments