আনুষ্ঠানিক মিলাদের ইতিহাস।

**মিলাদ ও কিয়ামের বিধান--৭**
আনুষ্ঠানিক মিলাদুন্নাবীর ইতিহাসঃ ইজমার
দ্ধারা প্রতিষ্ঠিত
তাফসীরে রুহুল বায়ানে উল্লেখ আছেঃ
"প্রবিত্র রবিউল আওয়াল
মাসে ঈদে মিলাদুন্নাবী (দঃ) অনুষ্ঠান
বর্তমানে প্রচলিত নিয়মে আনুষ্ঠানিক
ভাবে আরম্ভ হয় ৬০৪হিজরীতে । তত্কালিন
ইমাম ও মোজতাহিদ তকিউদ্দিন
সূবকী মিশরী (রহঃ) ছিলেন সে যুগের শ্রেষ্ঠ
মুজতাহিদ ও ইমাম । একদিন তাঁর
দরবারে সে যুগের বিখ্যাত ওলামায়ে কেরামের
সমাবেশ ঘটেছিল । ইমাম তকিউদ্দীন (রহঃ)
তাঁদের উপস্হিতে নবী করিম (দঃ) -এর
প্রশংসামূলক ইমাম ছরছরি (রহঃ) রচিত
দুলাইন কবিতা পাঠ করেন । লাইন
দীটি হলঃ "সুন্দরতম কিতাবের পাতায়
স্বর্ণাক্ষরেও যদি নবী মোস্তাফার নাম
অঙ্কন করা হয় । তবুও তার বিশাল মর্যাদার
তুলনায় তা অতি তুচ্ছ । অনুরূপভাবে শুধু তাঁর
নাম শুনেও যদি উচ্চ পর্যায়ের
লোকেরা সারিবদ্ধভাবে কিয়ামসহ
দাঁড়িয়ে যায় . অথবা আরোহী অবস্হায়
নতজানু হয়ে যায় ।তবুও তাঁর মহান
মর্যাদা তুলনায় তা অতি সামান্যই হবে" -
ছরছরি ।
ছরছরি কবিতার উক্ত পংতি দুটি পাঠ করার
সময়ে ইমাম তকিউদ্দীন সুবকী ও উপস্হিত
ওলামায়ে কেরাম নবীজির
সম্মানে দাঁড়িয়ে গেলেন ।
মজলিসে নবী প্রেমের ঢেউ খেলে গেল ।
সকলেই ভাবের আবেগে আপ্লুত হলেন ।
মিলাদ শরীফ কেয়ামের বৈধতার
ক্ষেত্রে ইমাম তকিউদ্দীন সুবকি ও
উপস্হিত ওলামায়ে কেরামের উক্ত কেয়ামের
অনুসরণ করাই যথেষ্ট । কেননা . এই কেয়াম
হলো শুভ সংবাদ উপলক্ষে তাজীমী কেয়াম ।
নবীজির উপস্হিতি এখানে শর্ত নয় -যদিও
তিনি উপস্হিত হতেও পারেন " ।
(তাফসীরে রুহুল বয়ান ৯ম খন্ড
-৫৬পৃষ্ঠা দেখুন) ।

Comments

Popular posts from this blog

ছবছে আওলা ও আ'লা হামারা নবী।

পিডিএফ বই ২৮ টি একত্রে।

মওদুদি মতবাদ।